সর্বশেষ সংবাদ

x



হরিপুরের ঐতিহ্যবাহি জমিদার বাড়িটি আজ ভূমিদস্যুদের দখলে ?

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২০ | ১০:৩৮ অপরাহ্ণ | 57 বার

হরিপুরের ঐতিহ্যবাহি জমিদার বাড়িটি আজ ভূমিদস্যুদের দখলে ?
হরিপুরের ঐতিহ্যবাহি জমিদার বাড়িটি আজ ভূমিদস্যুদের দখলে ?
sheikh rasel

ঠাকুরগাঁও জেলায় হরিপুরে  শত বছরের এক ঐতিহ্যবাহি জমিদার বাড়িটি আজ ভূমিদস্যুদের দখলে ।
হরিপুরে  প্রত্যন্ত অঞ্চল হরিপুর উপজেলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহি জমিদার বাড়িটি একমাএ প্রশাসনের অবহেলার কারণে ধ্বংশ হয়ে যাচ্ছে।  জমিদার বাড়িটি দ্রুত সংস্কার  না হলে শত বছরের  আমাদের দেশের একটি জাতিয় সম্পদটি হাড়িয়ে যাবে ।  এমনকি ভারী বর্ষণের কারনে জমিদার বাড়িটির কিছু অংশ ভেঙ্গে পড়ে।  এলাকাবাসি উপজেলার সর্বস্থরের জনগণ প্রশাসনসহ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে অতিবিলম্বে এই শত বছরের ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িটি সংস্কার করে সংরক্ষণ করা হোক।
আরো না বললেই হয় না, ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুরের কেন্দ্রস্থলে হরিপুরের রাজবাড়িটি । এই রাজবাড়ি ঘনশ্যাম কুন্ডুর বংশধরদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। মুসলিম শাসনামলে আনুমানিক ১৪০০ খ্রিস্টাব্দে ঘনশ্যাম কুন্ডু নামক ১জন ব্যবসায়ী এন্ডি কাপড়ের ব্যবসা করতে হরিপুরে এলে তখন মেহেরুন্নেসা নামে এক বিধবা মুসলিম মহিলা এ অঞ্চলের একজন জমিদার ছিলেনএবং তাঁর বাড়ি মেদিনীসাগর গ্রামে। জমিদারির খাজনা দিতে হতো তাজপুর পরগনার ফৌজদারের নিকট। খাজনা অনাদায়ের কারণে মেহেরুন্নেসার জমিদারির কিছু অংশ নিলাম হয়ে গেলেও ঘনশ্যাম কুন্ডু কিনে নিলেন ।
ঘনশ্যামের পরবর্তী বংশধরদের ১জন রাঘবেন্দ্র রায় ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বৃটিশ আমলে হরিপুর রাজবাড়ির কাজ শুরু করেন। কিন্তু তাঁর সময়ে রাজবাড়ির কাজ শেষ হয়নি বলে ধারনা করা যায় । রাঘবেন্দ্র রায়ের পুত্র জগেন্দ্র নারায়ণ রায় ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষদিকে রাজবাড়িটির নির্মাণাধীন কাজটি সমাপ্ত করেন। এসময় তিনি বৃটিশ সরকার কর্তৃক রাজর্ষি উপাধিতে ভূষিত হয় । জগেন্দ্র নারায়ণ রায়ের সমাপ্তকৃত রাজবাড়ির দ্বিতলা ভবনে লতাপাতার নকশা এবং পূর্ব দেয়ালের শীর্ষে রাজর্ষি জগেন্দ্র নারায়ণের চৌদ্দটি আব মূর্তি রয়েছে। তাছাড়া ভবনটির পূর্বপাশে একটি শিব মন্দির এবং মন্দিরের সামনে নাট মন্দির আছে । রাজবাড়িতে ছিল একটি বড় পাঠাগার কিন্তু আজ আর সেই অস্তিত্ব নেই বললেই চলে । রাজবাড়িটির যে সিংহ দরজা ছিলেন আজ তার নিশ্চিহ্ন হয়েছে। ১৯০০ সালের দিকে ঘনশ্যামের বংশধররা বিভক্ত হলে হরিপুর রাজবাড়িও দু’টি অংশে বিভক্ত হয়ে গেল। রাঘবেন্দ্র-জগেন্দ্র নারায়ণ রায় কর্তৃক নির্মিত রাজবাড়িটি বড় তরফের রাজবাড়ি নামে পরিচিত হয় । এই রাজবাড়ির পশ্চিম দিকে নগেন্দ্র বিহারী রায় চৌঃ ও গিরিজা বল্লভ রায় চৌঃ ১৯০৩ সালে আরেকটি রাজবাড়ি নির্মাণ করেন যার নাম দেয়া হয় ছোট তরফ।



আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
তেঁতুলিয়ায় জাল দলিল, ভূয়া ওয়ারিশানে রমরমাট ভাবে চলছে জমি ক্রয়ের পাঁয়তারা

Development by: webnewsdesign.com