রবিবার ২রা অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

শরীর-হাত পায়ে ফোস্কা-জ্বর, শিশুদের মধ্যে হু হু করে বাড়ছে হ্যান্ড-ফুট-মাউথ রোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | প্রিন্ট

শরীর-হাত পায়ে ফোস্কা-জ্বর, শিশুদের মধ্যে হু হু করে বাড়ছে হ্যান্ড-ফুট-মাউথ রোগ

হ্যান্ড-ফুট-মাউথ’ (Hand Foot Mouth) রোগে আক্রান্ত শিশু

-সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় বাড়ছে ‘হ্যান্ড-ফুট-মাউথ’ (Hand Foot Mouth) রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। ভাইরাস ঘটিত এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে  শিশুরা। এই নিয়ে আতঙ্কিত সব অভিভাবকরা। যদিও চিকিৎসকরা জানান, এই নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। সেই সঙ্গে কিছু সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তবে চিকিৎসকরা জানান, এখন দিনে গড়ে ৮ থেকে ১০টি শিশু হ্যান্ড-ফুট-মাউথে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য আসছে। গত দু-তিন বছরে এই রোগ এতটা ছিল না বলেও জানান তাঁরা। এবার এই রোগের প্রকোপ বেশি তাও জানিয়েছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ সহিদুল্লা।

চিকিৎসকেরা জানান, সাধারণত এক বা দেড় বছর বয়স থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এই রোগ হয়। তবে তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সীদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এখন যারা চিকিৎসার জন্য আসছেন তাদের বেশির ভাগই এই বয়সের। এই রোগ দেখা দেয় কক্সস্যাকিভাইরাস নামে একটি ভাইরাসের প্রভাবে। আক্রান্তদের অনেকেরই জ্বর হয়। হাতে, পায়ের পাতায়, কনুই ও হাঁটুতে ফুসকুড়ি হয়। অনেক শিশুর মুখের ভেতরেও ফুসকুড়ি হয়। যার ফলে শিশুদের খেতে অসুবিধা হয়।

সাধারণত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে বর্ষার সময়েই এই রোগের প্রকোপ বাড়ে বলে জানান চিকিৎসকেরা। এখন মূলত ঢাকা এবং তার আশেপাশের এলাকায় শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে দেশের অন্যত্র এই রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে বলেও জানান চিকিৎসকরা। তাঁরা জানান, হ্যান্ড-ফুট-মাউথ একটি ছোঁয়াচে অসুখ। এই সময়ে আক্রান্ত শিশুকে একেবারে আলাদা রাখতে হবে।

আরেকজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ আবিদ হোসেন মোল্লা বলেন, “ যাতে বাড়ির অন্য কেউ এই রোগে আক্রান্ত না হয় সেদিকেও নজর দিতে হবে। এই রোগের কোনও ওষুধ বা টিকা নেই। হ্যান্ড-ফুট-মাউথে আক্রান্তদের জ্বর হলে সাধারণ জ্বরের ওষুধ দিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিহিস্টামিন দিতে হবে।”

চিকিৎসকরা আরো জানান, এই রোগ হলে শিশুদের খেতে অসুবিধা হয়। তাই খাবার জন্য কোনও রকম জোর-জবরদস্তি করার দরকার নেই। শিশুর প্রস্রাব যেন স্বাভাবিক হয় সেদিকেও নজর রাখতে হবে। এবং আক্রান্ত শিশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে বলেও জানান তাঁরা। কেউ এই রোগে আক্রান্ত হলে এক সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায় ।

মোহাম্মদ সহিদুল্লা বলেন, “ হ্যান্ড-ফুট-মাউথ নিয়ে ভয়ের কোনও কারণ নেই। এটা স্বাভাবিক একটি ভাইরাস বাহিত অসুখ। তবে রোগ যেন অন্যদের মধ্যে ছড়াতে না পারে সেই জন্য অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।”

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৩:৩৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

dhakanewsexpress.com |

advertisement
advertisement
advertisement

আর্কাইভ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
মোঃ মাসুদ রানা হানিফ সম্পাদক