লকডাউনে ঠাকুরগাঁওয়ে হাত বাড়ালেই মিলছে ফেনসিডিল !

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২০ | ৪:২১ অপরাহ্ণ | 129 বার

লকডাউনে ঠাকুরগাঁওয়ে হাত বাড়ালেই মিলছে ফেনসিডিল !
লকডাউনে ঠাকুরগাঁওয়ে হাত বাড়ালেই মিলছে ফেনসিডিল !

 

নোভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাবে সারা দেশ যখন লকডাউনে তখন ঠাকুরগাঁওয়ে দিনরাত চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা। ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজাসহ সব ধরণের মাদক এখন পাড়া মহল্লায় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে। স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্রসহ সকল বয়সের মানুষ মাদক সেবনে জড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা করোনা মোকাবেলায় মানবিক কাজে ব্যস্ত থাকার কারনে মাদক কারবারিরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে খোলামেলা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।



বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) শহরের মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট (জেলা স্কুল মাঠের দক্ষিণ পশ্চিম কোনে), শহীদ তিতুমীর সড়কের পাশে^ প্রসাবখানায় গিয়ে এমনই চিত্র দেখতে পাওয়া যায়। দেখে যেন মনে হয় প্রসাবখানা তো নয় ফেনসিডিলের কারখানা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন (মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের) পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক শ্রেণীর বখে যাওয়া অসাধু মাদকসেবি সদস্যরা নানান ভাবে সহযোগিতা করছে বলে জানিয়েছেন। এর পাশাপাশি এই মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে হাত রয়েছে প্রভাবশালী স্থানীয় নেতাকর্মীদের। তাদের ছত্রছায়ায় নির্বিগ্নে মাদক ব্যবসা এখন ওপেন সিক্রেট। প্রসাব খানার পাশে ঝালাই মিস্ত্রির কাজ করেন হোসেন আলী তিনি জানান ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রসহ সব বয়সের মানুষ এখানে আসেন ডাইল খাইতে। কিছু বলতে গেলেই দোষ। ললিত আর্টের মালিক ললিত রায় বলেন উড়তি বয়সের ছেলেরা এখানে আসেন। দেখে মনে হয় কারো কোনো মাথা ব্যাথা নেই। মটর সাইকেল মেকানিক্স গোপাল বলেন মাঝে মধ্যে এখানে বোতলের স্তুুপ তৈরী হয়।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার নূরুল ইসলাম বলেন মাদক এখন হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে। করোনার কারনে পুলিশ সদস্যদের তৎপরতা কম থাকায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। একই কথা বলেন সীমান্ত এলাকার ওয়াসিম হায়াত পাঞ্জাব, আব্দুর রাজ্জাক, মিজানুর রহমান। আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমাদের মিথ্যা মামলা খেতে হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের মালিক সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বদরুদ্দোজা বদরের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি (০১৭২৪৩৪৪৬৮৩)।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার মোহাঃ মনিরুজ্জামান বলেন বর্তমানে পুলিশের কোন সদস্য মাদকের সাথে জড়িত নেই। যারা জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়াও যদি কোনো পুলিশ সদস্য মাদকের সাথে যুক্ত থাকে, তবে প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুলিশ সদস্যরা সামাজিক কাজের পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যহত রয়েছে। গত জুন,২০২০ মাসে ৫০টির অধিক মাদক আইনে মামলা হয়েছে। যার মধ্যে অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
ঢাকা নবাবগঞ্জের চূড়াইন ইউনিয়ন পরিষদের ব‌্যবস্থাপনায়  বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম

Development by: webnewsdesign.com