রাণীশংকৈলে জামিনে বেরিয়ে ভুক্তভোগীদের হমুকির অভিযোগ !

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২০ | ৮:০৮ অপরাহ্ণ | 81 বার

রাণীশংকৈলে জামিনে বেরিয়ে ভুক্তভোগীদের হমুকির অভিযোগ !

গত সাত বছর আগে ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নের পাঁটগাও গ্রামের একটি পাট খেত থেকে ক্ষত বিক্ষত(গলিত) জনৈক এক ব্যক্তির লাশ উদ্বার করে থানা পুলিশ। তবে জনৈক ব্যক্তির মুখের চেহারা ছবি ক্ষত বিক্ষত হওয়ায়। লাশটি কোথাকার বা কোন এলাকার এমন সনাক্ত করা সম্বব হয় নি পুলিশের। তবে হাল ছাড়েনি পুলিশ কৌশলে তদন্ত করতে করতে জনৈক লাশের ঠিকানা ও ঘটনা উদঘাটন করে ফেলে পুলিশ। এতে দেখা যায় চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পৌর শহরের মধ্যে ভান্ডারা গ্রামের(রংপুরিয়া মার্কেট) ইউনুস ওরফে ডিপজলের ছেলে শামীমকে । একই এলাকার খালেক সুবেল ভোলা মিয়া আব্দুর রহিম ঝামলাল আইয়ুব আলী ও গলি সংঘবদ্ব হয়ে শামীমকে হত্যা করে।
এই ঘটনায় পুলিশের এস আই শাহ আলম সরদার বাদী হয়ে একটি মামলাও করে যাহার মামলা নং ১৩। সেই মামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সেই ব্যক্তিদের চুরি ও হত্যা মামলার অভিযোগে ঠাকুরগাঁও আদালতে চার্জশিট দেয় । মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মামুন ও আব্দুল ওয়াহেদ। তবে এ মামলায় গলিদাস(১৬) নামক সাবালক আসামীকে নাবালক দেখিয়ে আদালতে চার্জশিট দেওয়ায়। গলি কিশোর অপরাধ আদালত থেকে সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পায়। গলি জামিনে মুক্তি পেয়ে বর্তমানে শামীমের পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছে বলে জানান হত্যাকান্ডের স্বীকার শামীমের পরিবার । মামলাটির স্বাক্ষীদেরও বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক এক স্বাক্ষী নিশ্চিত করেন।
হত্যার স্বীকার শামীমের মা হোসনেরা জানান ঘটনার দুই মাস আগে অথ্যাৎ ১৪ সালের মে মাসে হত্যা মামলার আসামী গলি তার নিজ নামে থাকা বসতবাড়ীর তিনশতক জমি। উপজেলার হোসেনগাঁও ইউপির রাউতনগর গ্রামের বশিরউদ্দীনের ছেলে আকবর আলীর কাছে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে দেন। যার দলিল নং-৩২৩৫ তারিখঃ-২৭ মে ২০১৪ ইং তারিখে। জমি বিক্রির দুই মাস পরেই সে হত্যা কান্ড ঘটায়। অথচ সেই মামলায় তাকে ১৬ বছরের নাবালক দেখিয়ে ৯ ডিসেম্বর ২০১৪ সালে কিশোর অপরাধ আদালতে বিচারকার্য চালানোর লক্ষে চার্জশিট দাখিল করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহেদ।
শামীমের মায়ের প্রশ্ন তদন্ত কর্মকর্তা কিসের ভিত্তিতে সাবালক একটি ছেলেকে নাবালক দেখালো সেটি আমি জানতে চাই? এখন সে জামিনে বেরিয়ে আমাদের হুমকি ধুমকি দিচ্ছে। তাকে এভাবে ঘুরতে থেকে আমার বুকটা জ্বলে যাচ্ছে। আমি আমার ছেলের হত্যাকারীদের ফাসি চাই। এবং সাবালক যুবককে কেন নাবালক দেখালো তার বিচার আমি চাই?
এদিকে পৌরসভার যাহার জন্ম নিবন্ধন নম্বর ১৯৯৫৯৪২৫৫০৪০১৬৮১০ জন্মনিবন্ধন যাচাই ও বিতরণকারী ফিরোজ জানান, পৌর শহরের ৪ নং ওর্য়াডের মধ্যে ভান্ডারা(রংপুরিয়া মার্কেট) নরেশ দাসের ছেলে গলির নিবন্ধনের সর্বশেষ সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী তার জন্ম তারিখ আটই অক্টোবর উনিশ শত পচানব্বই সালে। সে হিসাবে ২০১৪ সালে গলির বয়স ছিল ১৯ বছর।
রাণীশংকৈল থানার তৎকালীন তদন্ত কর্মকতা এস আই মামুন মুঠোফোনে জানায় এরকম হওয়ার কথা ছিলোনা আমরা কাগজে যা পেয়েছি তাহা কাগজে উল্লেখ করেছি জন্ম নিবন্ধনের সনদ যদি ভুয়া হয়ে থাকে এর দায়ভার আমাদের নয় ।



আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
শ্রমিক ছাড়া দেশ অচল, ঠাকুরগাঁও ৩ আসনের এম পি জাহিদুর রহমান।

Development by: webnewsdesign.com