সর্বশেষ সংবাদ

x



বালিয়াডাঙ্গী কৃষি কর্মকর্তার অনিয়ম ও দূর্নীতির সত্যতা মিলেছে মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধানে

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২০ | ৯:৪৮ অপরাহ্ণ | 59 বার

বালিয়াডাঙ্গী কৃষি কর্মকর্তার অনিয়ম ও দূর্নীতির সত্যতা মিলেছে মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধানে
বালিয়াডাঙ্গী কৃষি কর্মকর্তার অনিয়ম ও দূর্নীতির সত্যতা মিলেছে মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধানে
বালিয়াডাঙ্গী কৃষি অফিসারের ব্যপক অনিয়মের কারণে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান,গম পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পটি মুখ থুবরে পড়েছে।

কৃষি অফিসার শাফীয়ারের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগের সত্যতা মাঠ পর্যায়ে অনুসন্ধানে গিয়েও পাওয়া গেছে ৷



উল্লেখ্যযে,গত ৫ জুলাই বালিয়াডাঙ্গী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের মুক্তিযোদ্ধাগণ বালিয়াডাঙ্গী কৃষি অফিসার শাফীয়ারের দূনীর্তির প্রতিবাদে পথসভা করেন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে স্মারকলিপি প্রদান করেন।ওই স্মারকলিপিতে বামুনিয়ার ধানবীজ উৎপাদন প্রকল্পের দুর্নীতির বিষয়টি উল্লেখ ছিল। এসময় সংবাদকর্মী ও সাংবাদিকগণকেও স্মারকলিপির কপি সরবরাহ করা হয়।

জানা গেছে,ঠাকুরগাও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের পাড়িয়া ব্লকে “আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান,গম ও পাট বীজ উৎপাদন,সংরক্ষণ ও বিতরণ” প্রকল্পের অধীনে ৬ জুন বোরো মাঠ দিবস করে বালিয়াডাঙ্গী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

এ অনুষ্ঠানে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা চেয়ারম্যান আলী আসলাম জুয়েল প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।বিশেষ অতিথী ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাজহারুল ইসলাম সুজন। বালিয়াডাঙ্গী কৃষি অফিসার শাফীয়ার রহমানের সভাপতিত্বে আরো অতিথী ছিলেন পাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী রুবেলসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিগনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ঐ মাঠ দিবসে এ সময় বোরো ধান বীজ উৎপাদনকারী গ্রুপের ও বোরো প্রদর্শনীর ৫০ জন অংশ গ্রহনকারীও ছিল।তাদের প্রত্যেকের জন্য ৩০০ টাকা ভাতা, ১০০টাকা যাতায়াত ও ১০০ টাকা নাস্তাসহ প্রতিজনের জন্য মোট ৫০০ টাকা করে বরাদ্দ ছিল।অংশগ্রহণকারী কোন লোক এ সম্মানী ভাতা পায়নি বলে জানান ।

শুধু তাই নয় এর সঙ্গে আরো ছিল দুইজন সংশ্লিষ্ট সমন্বয়কারী(এসএও) প্রতিজন ৫০০টাকা করে ১০০০ টাকা সম্মানী বরাদ্দ,ব্যানার একটি (থোক) ১০০০ টাকা,ডেকোরেটর ও ফটো বাবদ বরাদ্দ (থোক)৩০০০ টাকা, নাস্তা ৫০জন অংশগ্রহনকারীসহ ৬০ জনের জন্য ৬০০০ টাকা ও বিবিধ (থোক) বরাদ্দ ১৫৫০ টাকা। এছাড়াও অন্ঞ্চল,জেলা,উপজেলা প্রকল্পের ৩জন প্রতিনিধির জন্য জনপ্রতি ১১৫০ টাকা হারে সম্মানী বরাদ্দ ছিল ৩৪৫০ টাকা।এভাবে মোট ৩৬০০০(ছত্রিশ হাজার)টাকা বরাদ্দ হয়।কিন্তু এখানে খরচ করা হয়েছে ৮০০০ টাকা।
এসব বরাদ্দকৃত টাকা কেউ পায়নি বলে জানান মাঠ দিবসে অংশগ্রহনকারী কৃষকগণ।

পাড়িয়া ব্লকের বামুনিয়া বোরো ধানবীজ উৎপাদনকারী গ্রুপের সভাপতি সিদ্দিক জানান,আমরা আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বোরো বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ মাঠ দিবসে গত ৬ জুন অংশগ্রহণ করি। মাঠ দিবসের কোন ভাতা ও যাতায়াত বিল আমরা পাইনি।

বোরে ধানবীজ উৎপাদনকারী গ্রুপের সদস্য বামুনিয়া গ্রামের কৃষক রেজাউল করিম বলেন মাঠদিবস শেষে জিলাপি দিয়ে আমাদের বিদায় করেন। একই গ্রামের কৃষক তসলিমউদ্দীসহ অংশগ্রহনকারীরাও একই কথা বলেন।

এ ব্যপারে পাড়িয়ার ব্লকের দায়িত্বে থাকা উপ সহকারী কৃষি অফিসার(এসএএও) আতাউর রহমান জানান,কৃষি অফিসার আমাকে ৮০০০ টাকা বরাদ্দ দিয়ে মাঠ দিবসটি সারতে বলেছেন।আমি অফিসারের নির্দেশনা মোতাবেক ৮০০০টাকা দিয়েই মাঠ দিবসের ডেকোরেটর,নাস্তাসহ সব কিছুই করেছি।মাঠ দিবসের বরাদ্দ কত এটি আমি জানিনা।মাঠ দিবসের বরাদ্দ ব্যপারে অফিসারকে জিজ্ঞাসা করা যাবে না বলে জিজ্ঞাসা করার সাহস পায়নি।

এ ব্যপারে জানার জন্য আজ বিকালে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাফীয়ার রহমানের সংগে মুঠো ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ করে কথা না বলেই কল কেটে দেন।

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
ঢাকার দোহারে স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

Development by: webnewsdesign.com