সর্বশেষ সংবাদ

x



প্রথম কাজেই জাতীয় পুরস্কার

শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৬ | ১০:০৯ পূর্বাহ্ণ | 523 বার

প্রথম কাজেই জাতীয় পুরস্কার
sheikh rasel

এক পথশিশুকে নিয়ে বানানো শর্টফিল্ম ‘ডিজিটাল কোশ্চেন’ বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত ‘শেখ রাসেল জাতীয় শিশুতোষ চলচিত্র উৎসব-২০১৬’তে ‘ডিজিটাল কোশ্চেন’ এবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। বিচারকদের মতে তৃতীয় হলেও দর্শকদের জরিপে এটিই প্রথম স্থান লাভ করে।

এই শর্ট ফিল্মের কাহিনী ছিল এক পথশিশুকে ঘিরে। যে কিনা তার হারানো মা-বাবকে ফেসবুকে খুঁজে দেয়ার জন্য আকুতি জানায়। ইতোমধ্যে এটি ‘স্বদেশি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র উৎসব’-এ চারটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে। শর্টফিল্মটি নির্মাণ করেছেন ‘ব্যাকবেঞ্চার ফিল্মস’ টিম।



জানা গেছে, ৪ মিনিট ২২ সেকেন্ডের এই শর্ট ফিল্ম বানাতে তাদের সময় লাগে প্রায় দুই বছর।

সেই প্রসঙ্গে টিমের প্রধান তানিম শাহরিয়ার বললেন, আমরা ক্লাসের একদমই গাধা ছাত্র ছিলাম। পড়াশোনায় খুব একটা মন নেই। স্বপ্ন দেখতাম আমরা একটা সিনেমা বানাব। কিন্তু কীভাবে বানাব সেটা জানা নেই। নেই ক্যামেরা, নেই সিনেমা ফটোগ্রাফার, নেই এডিটর এমনকি কোনো অভিনেতারাও ধারের ছিল না।

এসব কোথায় পাওয়া যায় সেটা সম্বন্ধেও কারো বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। এমনকি এটাও জানতাম না যে, নাটক-সিনেমা বানানোর ক্যামেরা আলাদা হয়। আগে মনে করতাম বিয়েবাড়ির ভিডিও ক্যামেরা দিয়েই সিনেমা বানানো হয়।

এতটুকু জ্ঞানও আমাদের ছিল না। কিন্তু আমরাও নাছোড়বান্দা ফিল্ম আমরা বানাবই। একটা গল্প রেডি করে মাঠে নেমে পড়লাম। জানা ছিল পার্কে নাকি শুটিং হয়। তাই কলেজ ফাঁকি দিয়ে পার্কে পার্কে ঘুরলাম কিছুদিন। কিন্তু খুব একটা লাভ হলো না। নতুন বলে কেউ আমাদের সঙ্গে কাজ করতে চায় না।

তারপর সব কিছু ম্যানেজ করে শুটিং শুরু করতে আমাদের লেগে গেল প্রায় এক বছর। আমাদের গল্পে দুটো চরিত্র ছিল। একটা আধুনিক ছেলে আর একটা পথশিশু। পথশিশুর চরিত্রে আমরা যেই মেয়েটাকে নিয়েছিলাম তাকে নিয়ে খুব শঙ্কায় পড়ে গেলাম। কোনোভাবেই সে পথশিশুদের মতন কথা বলতে পারছিল না। লুক ও পোশাক-আশাকে পথশিশু তো দূরে কথা মেক ডাউন করেও মনে হচ্ছিল না। তাই সেখানেই শুটিং প্যাক আপ করা হলো। আমাদের চাই পারফেকশন।

‘ব্যাকবেঞ্চার ফিল্ম’-এর প্রযোজনায় ‘ইঁচড়েপাকা’র ব্যানারে প্রকাশিত ‘ডিজিটাল কোশ্চেন’-এর গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন—তানিম শাহরিয়ার। ক্রিয়েটিভ হিসেবে ছিলেন—সিজন আনাম, সহকারী পরিচালক হিসেবে ছিলেন—বাপ্পি ও অর্ণব। চিত্রগ্রহণ করেছেন—রিয়াদ আহমেদ, সম্পাদনা ও অ্যানিমেশন করেছেন ফারিদুর ফারদিন। মিউজিক করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাঞ্জিব সারোয়ার।
ব্যাকবেঞ্চার টিমে অন্যতম সদস্যরা হচ্ছেন—তানিম শারিয়ার, সিজন আনাম, বাপ্পি, অর্ণব, রাব্বানী, আসদুজ্জামান সুপ্ত, আনোয়ার হোসেন, শুভ, যুক্ত ফুয়াদ ও অনেকে। ‘ডিজিটাল কোশ্চেন’ ছিল ব্যাকবেঞ্চারদের প্রথম কাজ।

প্রথম কাজেই জাতীয় পুরস্কার পেয়ে তারা কাজ নিয়ে আরো দায়িত্বশীল হতে চায়। তাদের স্বপ্ন এখন একটাই—তারা সিনেমা বানাবে। আর সেই সিনেমা দিয়ে পুরো বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেবে। পৃথিবীর সেরা ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড নিজের দেশের ঘরে আনবে।

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
তেঁতুলিয়ায় জাল দলিল, ভূয়া ওয়ারিশানে রমরমাট ভাবে চলছে জমি ক্রয়ের পাঁয়তারা

Development by: webnewsdesign.com