Recent News
জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী চাইম ব্যান্ডের ভোকাল খালিদ আর নেই

জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী চাইম ব্যান্ডের ভোকাল খালিদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়।

সোমবার রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাসে খালিদের মৃত্যুর বিষয়টি জানিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন।

যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে এ হৃদয়ে, সে কিছু নয় শত আঘাতেও, নিঃস্ব যে আজ তার আবার, হারানোর ভয়- গানের কথাগুলো এখনও মানুষ গুন গুন করে গায়। গান থাকলেও গানের মানুষটি আর নেই। পৃথিবীর মায়া ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছেন পরপারে।

জানা গেছে, কয়েক বছর ধরেই হৃদরোগে ভুগছিলেন খালিদ; একাধিকবার হৃদরোগের চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। তার হৃদযন্ত্রে একটি স্টেন্ট বসানো ছিল।

ক্যারিয়ারে তুলনামূলক কম গান করলেও প্রায় সব গানেই জনপ্রিয়তা পেয়েছেন খালিদ। ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’, ‘হয়নি যাবার বেলা’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘মনে তো পড়ে মন কেঁদেছিল’র মতো অনেক জনপ্রিয় গান রয়েছে তার।

প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরে গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন খালিদ। কিন্তু সেই কণ্ঠ আজ চিরতরে থেমে গেছে। সংগীতাঙ্গনে বিষাদের মেঘ ছড়িয়ে চলে গেলেন তিনি।

আজ সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় রাজধানীর গ্রিন রোডে একটি হাসপাতালে মারা যান চাইম ব্যান্ডের জনপ্রিয় এ সংগীতশিল্পী। এদিকে তার প্রথম নামাজে জানাজা সোমবার রাত ১১টায় গ্রিন রোড জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া খালিদ ১৯৮১ সাল থেকে গানের জগতে যাত্রা করেন। এরপর ১৯৮৩ সালে তিনি ‘চাইম’ ব্যান্ডে যোগ দেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তরুণ প্রজন্মের শ্রোতাদের হৃদয় জয় করেন। খালিদের প্রথম যে আ্যলবামটি বের হয়েছিল সেটি চাইম ব্যান্ডের আ্যলবামের হয়ে। নাম ছিল ‘চাইম’। তাতে গান ছিল, নাথি খাথি বেলা গেল, তুমি জানো নারে প্রিয়, কীর্তনখোলা নদীতে আমার, এক ঘরেতে বসত কইরা, ওই চোখ, সাতখানি মন বেজেছি আমরা, আমার জন্য রেখো একটা গান, সহ আরো দুইটি ইংলিশ গান। সেই অ্যালবামের নাথি খাতি বেলা গেল গানটি ছিল যশোরের একজন কবি হাফিজুর রহমানের লেখা। সুর সংগ্রহ করা হয়েছিল অন্য জায়গা থেকে। সে সময় গানটি তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। আর খালিদ হয়ে উঠেন তরুণ প্রাণের ক্রেজ।

News Reporter

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *