জনপ্রিয় সংবাদ

x

কিউইদের বিপক্ষে টাইগারদের সংগ্রহ ২৪৪ রান

বুধবার, ০৫ জুন ২০১৯ | ১১:৫০ অপরাহ্ণ | 38 বার

কিউইদের বিপক্ষে টাইগারদের সংগ্রহ ২৪৪ রান
কিউইদের বিপক্ষে টাইগারদের সংগ্রহ ২৪৪ রান

দুর্দান্ত শুরুর পরও ব্যাটসম্যানরা উইকেট বিলিয়ে দেওয়ায় ২৪৪ রানেই আটকে গেল বাংলাদেশের ইনিংস। জয়ের জন্য নিউজিল্যান্ডের টার্গেট ২৪৫ রান।

সর্বোচ্চ ৬৪ রানের ইনিংস খেলেছেন সাকিব আল হাসান। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ২৩ বলে খেলেছেন ২৯ রানের ইনিংস। এছাড়া মোহাম্মদ মিথুন ২৬, মাহমুদুল্লাহ ২০, মুশফিকুর রহিম ১৯,  মোসাদ্দেক ১১ এবং মিরাজ করেছেন ৮ রান।

৪৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন ম্যাট হেনরি। ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের পেসার ট্রেন্ট বোল্ট।

এছাড়া ১টি করে উইকেট নিয়েছেন স্যান্টনার, ফার্গুসন ও গ্রান্ডহোম।

ওভালের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে সেট হওয়ার পরও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা।

প্রথম ম্যাচের মতো আজও বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের জুটিতে আসে ৪৫ রান। তবে দুর্দান্ত শুরুর পরও দুই ওপেনার নিজেদের ইনিংসটা বড় করতে পারেনি। সৌম্য ২৫ রানে এবং ২৪ রানে ড্রেসিংরুমে ফিরে যান তামিম। এর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে।

তবে তৃতীয় উইকেটে সাকিবের সঙ্গে মুশফিকের জুটিটা ভালোই জমে উঠেছিল। তাদের পার্টনারশীপে ৫০ রান হওয়ার পর ভুল বোঝাবুঝির কারণে রান আউট হয়ে যান মুশফিক। এরপর মোহাম্মদ মিথুনের সঙ্গেও দারুন এক জুটি গড়ে দলের স্কোরকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন সাকিব। কিন্তু দলীয় ১৫১ রানের মাথায় আউট হয়ে যান সাকিব।

প্রথম ম্যাচের মতো আজ ওভালেও দারুণভাবে শুরু করেছিলেন সাকিব আল হাসান। জেমস নিশামের প্রথম তিন বলেই তিন বাউন্ডারি। একটি স্কোয়ার লেগ দিয়ে, দু’টি পয়েন্ট দিয়ে। রানরেট বাড়ানোর জন্য নিশামের প্রথম ওভারেই আক্রমণ করেন সাকিব আল হাসান। ওই ওভারে ১৭ রান নিয়ে কিউই বোলারকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। পরে স্যান্টনারের বলকে পয়েন্টে ঠেলে দিয়ে ৩ রান নিয়ে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন সাকিব। প্রথম ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও কাঁটায় কাঁটায় ৫৪ বলেই অর্ধশত করেন বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার।

ওয়ানডেতে এটি তার ৪২তম হাফ সেঞ্চুরি। কিন্তু ৬৪ রান করার পর কিউই বোলার গ্রান্ডহোমের বলে উইকেটকিপারকে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে যান। এই ম্যাচটি ছিল সাকিবের মাইলফলকের ম্যাচ। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২০০তম ম্যাচ। সাকিবের ওয়ানডে অভিষেক হয়েছিল ২০০৬ সালে ৬ আগস্ট জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে, হারেরেতে।

আগের ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২৫০ উইকেট ও ৫০০০ রান করে কিংবদন্তি অলরাউন্ডারদের পাশে নিজের নাম লিখেছেন। গত ম্যাচেই আরেকটি মাইলস্টোনে পৌঁছালেন। ১৩ বছরের ক্যারিয়ারে সাকিব ৭টি সেঞ্চুরিও করেছেন।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন তিনি। বল হাতে সবচেয়ে কম রান দিয়েছেন। ব্যাট হাতে করেছিলেন ৭৫ রান। ফিল্ডিংয়েও দুর্দান্ত একটি ক্যাচ নিয়েছেন। অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন। সাকিবের হাফ সেঞ্চুরির পরও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৪৪ রান।

Development by: webnewsdesign.com