সর্বশেষ সংবাদ

x



করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ সংক্রমণের কারনে

কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিদিন দু’বেলা খাবার বিতরন করছে ঢাকা(বৃওঃ)সিলেট আন্তঃজেলা লাক্সারী চেয়ারকোচ মালিক সমিতি ও ঢাকা সিলেট রোড বড় বাস শ্রমিক কমিটি’র সংগঠন

রবিবার, ১০ মে ২০২০ | ৫:২০ পূর্বাহ্ণ | 74 বার

কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিদিন দু’বেলা খাবার বিতরন করছে ঢাকা(বৃওঃ)সিলেট আন্তঃজেলা লাক্সারী চেয়ারকোচ মালিক সমিতি ও ঢাকা সিলেট রোড বড় বাস শ্রমিক কমিটি’র সংগঠন
কর্মহীন পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিদিন দু’বেলা খাবার বিতরন করছে ঢাকা(বৃওঃ)সিলেট আন্তঃজেলা লাক্সারী চেয়ারকোচ মালিক সমিতি ও ঢাকা সিলেট রোড বড় বাস শ্রমিক কমিটি’র সংগঠন

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস কোভিড – ১৯ সংক্রমণের প্রাদুর্ভাবে বাংলাদেশেও এর প্রভাব পরেছে ।

বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের কারনে গণপরিবহন সহ দেশের সকল কার্যক্রমই বন্ধ ( লকডাউন ) ঘোষনা করা হয় । যার ফলে গরীব, অসহায় দিনমজুর, রিক্সচালক,পরিবহন শ্রমিক, ও অন্যান্য পেশার মানুষ বাড়ি থেকে বের হতে পারছেনা । তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্য জোগাড় করতেও পারছেনা রিতিমত হিমসিম খাচ্ছে ।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী গরীব অসহায় ও কর্মহীনদের পাশে বিত্তবানদের দারানোর যে আহবান জানিয়েছেন, সেই নির্দেশ মোতাবেক কর্মহীন শ্রমিকদের পাশে এগিয়ে এসেছেন, ঢাকা (বৃওঃ) সিলেট আন্তঃজেলা লাক্সারী চেয়ারকোচ ও বাস মালিক সমিতি এবং ঢাকা সিলেট রোড বড় বাস শ্রমিক কমিটি’র নেতৃবৃন্দ ।



ঢাকা (বৃওঃ) সিলেট আন্তঃজেলা লাক্সারী চেয়ারকোচ ও বাস মালিক সমিতি এবং ঢাকা সিলেট রোড বড়বাস শ্রমিক কমিটি’র নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে লকডাউন এর শুরু থেকে টানা ৪১দিন রমজানের পূর্বে দুপরের খাবার ও রাতের খাবার বিতরণ করেছেন বর্তমানে রমজান শুরুর পর থেকে এখন ইফতার সামগ্রী সহ সাহরী খাবার বিতরণের কর্মসূচী পরিচালনা করে আসছে ।

সিলেট রোডের বাস চালক শাহালম মনু বলেন,মালিক সমিতি ও শ্রমিক কমিটির নেতারা সাহায্য সহযোগীতা নিয়ে এগিয়ে না আসলে আমদের না খেয়ে থাকতে হতো । একজন মানুষ কতদিন না খেয়ে থাকতে পারে?শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ঢাকা(বৃওঃ)সিলেট আন্তঃজেলা লাক্সারী চেয়ারকোচ ও বাস মালিক সমিতি এবং ঢাকা সিলেট রোড বড় বাস শ্রমিক কমিটি’র নেতৃবৃন্দের ধন্যবাদ জানাই ।

ঢাকা সিলেট রোডের মালিক সমিতির কার্যকারি সভাপতি মোঃ রাশেদ ভূইয়া বিপ্লব বলেন,২৫ মার্চ থেকে সারা দেশে যখন লগডাউন আরম্ভ হয় তখন গণপরিবহন চলাচলেও বন্ধ ঘোষণা হয়, তখন সায়দাবাদ বাস টার্মিনালের দৈনিক মজুরী বিত্তিক সকল পরিবহন শ্রমিকরা খুবই সমস্যায় পরতে থাকে । তারপর সিলেট রোডের বাস মালিক সমিতি (আমরা) ও শ্রমিক সংগঠনের যৌথ বৈঠকের মাধ্যম প্রতিদিন শ্রমিকদের মাঝে খাবার বিতরন করার সিদ্ধান্ত নেই ।

তিনি আরও জানান, এই উদ্যোগে তারা সরকারের কাছ থেকে কোন ত্রাণ বা সহযোগিতা পাননি । রাশেদ ভুইয়া বিপ্লব বলেন কিছু দিন আগে

শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন,তাদের পাশে দাড়াঁতে,বেতন দিতে,তারা চলতে পারছেনা, কোটি কোটি টাকার চাদাঁ আদায় হয় পরিবন সেক্টর থেকে,তাহলে আজ তারা না খেয়ে পথে পথে ঘুড়ছে কেন ? পরিবার নিয়ে মানবেতর সময় পার করছে ।
শ্রমিকদের এমন বিক্ষোভর পর ৪৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার এসে প্রায় ১০০০০ হাজার পরিবহন শ্রমিকদের মাঝে ২০ টি রেশন কার্ড দিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা সামলে নিয়ে চলে যায়, তাদের প্রশ্ন বাকি শ্রমিকরা কি করবে ? আর এমন আচরনে এই ২০ জন শ্রমিকই কি পাবে কোন ত্রাণ সহায়তা !

শ্রমিকদের কল‌্যাণ‌্যে, শ্রমিকদের পাশে থাকতে এই মহৎ উদ্যোগটি যারা পরিচালনা করছেন, ঢাকা (বৃওঃ) সিলেট আন্তঃজেলা লাক্সারী চেয়ারকোচ ও বাস মালিক সমিতির সভাপতি হাজ্বী আরিফ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক হাজ্বী জয়নাল আবেদীন এবং ঢাকা সিলেট রোডের মালিক সমিতির কার্যকারি সভাপতি মোঃ রাশেদ ভূইয়া বিপ্লব, সহ-সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, ঢাকা সিলেট রোড বড় বাস শ্রমিক কমিটি’র সন্মানিত সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান।

শিল্প সচিবের দায়িত্ব নিলেন কে এম আলী আজম

Development by: webnewsdesign.com