সর্বশেষ সংবাদ

x



কবি জসিমউদ্দীনের কবিতা ‘আসমানির মত পীরগঞ্জের বেগমের জীবনের করুন কাহিনী’

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১২:১৫ অপরাহ্ণ | 38 বার

কবি জসিমউদ্দীনের কবিতা ‘আসমানির মত পীরগঞ্জের বেগমের জীবনের করুন কাহিনী’
কবি জসিমউদ্দীনের কবিতা ‘আসমানির মত পীরগঞ্জের বেগমের জীবনের করুন কাহিনী’
sheikh rasel
কবি জসিমউদ্দীনের আসমানী কবিতার ভাষার মতকরে বলতে হয় ‘আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও, বেগমের ভাঙ্গা বাড়ি সিংগারোল (দহপাড়া) যাও’ ‘বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি, একটুখানি বৃষ্টি হলে গড়িয়ে পড়ে পানি’ ‘একটু খানি হাওয়া দিলেই ঘড় নড়বড় করে, তারি তলে বেগম থাকে বছর ভরে। রসুলপুরের আসমানী এখন আর নেই কিন্তু ঠাকুরগাঁয়ের পীরগঞ্জ সিংগারোল (দহপাড়া)তে সেই আসমানীর মতই জীবন নিয়ে বেঁচে আছে বেগম। কবি জসিমউদ্দীন তার শ্বশুরবাড়ীতে বেড়াতে গিয়ে যেমন আসমানীর খোঁজ পেয়ে কবিতা রচনা করেন তেমনি পীরগঞ্জের উদীয়মান তরুণরা সিংগারোল (দহপাড়া)বেড়াতে গিয়ে এই বেগমের সন্ধ্যান পেয়েছেন। তারপর তিনারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বেগমকে নিয়ে লেখালেখি করায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধির নজরে আসে। এরই মধ্যে উপজেলা ৭নং হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান বেগমের কে বিধবা ভাতা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। দীর্ঘ দিন ধরে মাটির দোয়ালের ঘর করে থাকা অবস্থায় স্বামীর মৃত্যুতে আঁধার নেমে আসে ২ সন্তানের জননী বেগমের জীবনে। তার দুই ছেলে। ছেলে দুটিকে নিয়ে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের সিংগারোল (দহপাড়া) মহল্লায় স্বামীর রেখে যাওয়া সেই কোঠা (মাটির) ঘরটিতেই পেয়েছিল মাথা গোঁজার ঠাঁই। কিন্তু সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিরপানিতে তার মাটির ঘরটি ভেঙ্গে পরে যায়। কোনো ঠিকানা না থাকায় সন্তান সহ নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঐ ঘরেই চরম কষ্টে পার করছেন তার জীবনের কঠিন মুহুর্ত্য গুলো। মৌলিক চাহিদার গুলোই যখন পূরণ হয় না তখনও ২ ছেলেকে স্কুলে পড়ানোর ভাবনা ছিল তার মাথায় । এক ছেলে এবার এসএসি পরীক্ষার্থী স্থানীয় কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, বেগম নামে ঐ বিধবার থাকার খুব সমস্যা। তার এমন কঠিন দারিদ্র মুহুর্তেও তিনি ভিক্ষা না করে মানুষের বাসাতে দিনমজুরের কাজ করেন। বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে কাজ-কর্ম সব বন্ধ। ফলে বেশির ভাগ সময় ধার দেনা করে চলতে হয় তাকে। কোনো কোনো দিন সন্তান নিয়ে না খেয়েও কাটাতে হয় দিন। ঘর তৈরি করবে কি দিয়ে। তাই হাত পা গুটিয়ে বসে রয়েছে বেগম। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অনেকেই সহায়তা পেলেও বেগম কিছুই পায়নি। বর্তমানে সে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
এবিষয়ে ৭নং হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, বিষটি আমার জানাছিল না সে মানবেতর জীবনযাপন করছে আমি অনলাইনে খবরটি দেখে তৎখনাক তারবাড়িতে যাই এবং আমার পকেটে থাকা এক হাজার টাকা দিয়ে বর্তমানে সহায়তা করি এবং বেগমকে বিধবা ভাতা কার্ড সহ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বিভিন্ন সহায়তা করা হবে। ’ তার এ অবস্থায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। তাকে সহযোগিতা পাঠানোর জন্য তার প্রদান করা বিসস্থ নাম্বার- ০১৭৯৮৯৯৪০১৮



আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
তেঁতুলিয়ায় জাল দলিল, ভূয়া ওয়ারিশানে রমরমাট ভাবে চলছে জমি ক্রয়ের পাঁয়তারা

Development by: webnewsdesign.com