জনপ্রিয় সংবাদ

x

‘উই দ্যা ড্রিমার্স’এর বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন

শনিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ | ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ | 149 বার

‘উই দ্যা ড্রিমার্স’এর বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন
'উই দ্যা ড্রিমার্স’এর বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন

নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘উই দ্যা ড্রিমার্স’ এর বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এ বার্ষিক সাধারণ সভা সম্পন্ন হয়।

স্যার উইলিয়াম বেভারেজ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও ‘উই দ্যা ড্রিমার্স’ এর উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবঃ) জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইন্সপেক্টর রাজু আহমেদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক আতিক এস বি সাত্তার, ব্র্যাক এর সিনিয়র বিপণন কর্মকর্তা সুলতান আফজাল প্রমুখ।

সংগঠনের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করেন, ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জনিয়ার শাহাব উদ্দীন, বার্ষিক পরিকল্পনা পেশ করেন, নির্বাহী পরিচালক আতিক।

ইটালির কমিউনিটি অব সেন্ট ইজিডিও’র সেক্রেটারি জেনারেল প্রফেসর আলবার্তো কোয়াট্রুসি প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, স্বেচ্ছাশ্রম কেবল মাত্র পছন্দের বিষয় নয়, এটি একটি দায়িত্ব। আর এই দায়িত্ব বোধই সুবিধা প্রাপ্ত এবং সুবিধা বঞ্চিতদের মধ্যে সেতু বন্ধন। সুবিধা বঞ্চিতদের দায়িত্ব না নিয়ে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

দেশের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি সামাাজিক সংগঠনগুলো বিশেষভাবে অবদান রেখে আসছে, যা অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। শহর থেকে গ্রাম, দেশের প্রায় সব অঞ্চলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে কাজ করে যাচ্ছে সামাজিক সংগঠনগুলো। ‘উই দ্যা ড্রিমার্স’ যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা সত্যি আমাকে মুগ্ধ করেছে। ‘উই দ্যা ড্রিমার্স’ যেভাবে স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে দেশের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছে, আমার বিশ্বাস ভবিষ্যতে তাদের এই কার্যক্রম দেশ ছাড়িয়ে বর্হিবিশ্বেও সুনাম অর্জন করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শাহাদাত হোসাইন বলেন, মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়। সৈয়দ আকরাম খাঁ, বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ও গিরিশ চন্দ্র সেনের মতো মাত্র তিনজন ব্যক্তি যুগবাণী পত্রিকার মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া বাঙ্গালি জাতিকে জাগিয়ে ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস এম হলের ১৩২ নং রুমে মাত্র গ্রাম থেকে উঠে আসা মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থীর সচেতন সিদ্ধান্তই ভাষা আন্দোলনের ভিত রচনা করে, যার ফলে পরবর্তীতে আমরা বাংলাকে মাতৃভাষা হিসেবে লাভ করি। পৃথিবীর ইতিহাসে যুগে যুগে যারা পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিয়েছেন, তারা সংখ্যা গুরু নয়, সংখ্যা লঘু। আজকের বাংলাদেশকে পরিবর্তনের জন্য ড্রিমার্সের মতো তরুণদের একটি টিমই যথেষ্ট। আমি মনে করি ড্রিমার্স যেভাবে কাজ করছে আগামীতে ভিশন ২০৯০ লক্ষ অর্জন সম্ভব হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মেজর জেনারেল (অবঃ) জীবন কানাই দাস বলেন, তুরুণ বয়সে আমি মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে। এখন আমি বার্ধক্যে উপনীত হয়েছি। ‘উই দ্যা ড্রিমার্স’ এর তরুণদের মধ্যে আমি যৌবনের সেই স্বপ্নবাজ সত্ত্বাকে খুঁজে পাই।
আমার বিশ্বাস, একদিন ‘উই দ্যা ড্রিমার্স’ তাদের লক্ষে পৌছাবে পরিশ্রম, ত্যাগ আর সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে।

দ্বিতীয় অধিবেশনে নবনির্বাচিত কমিটির নাম ঘোষণা করেন, ড্রিমার্সের কো-অর্ডিনেটর কুতুব তারিক। এরপর ‘উই দ্যা ড্রিমার্স’ ভলান্টিয়ারদের মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
অনুষ্ঠানের আহব্বায়ক ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের মেডিকেল অফিসার ডা: আদৃতা আফজাল, সহ আহব্বায়ক ছিলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা: গোলাম মোক্তাদীর প্রিন্স ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ ইকোনমিক্স বিভাগের শিক্ষার্থী শামীমা জান্নাত।

Development by: webnewsdesign.com