Rz Rasel
১ দিন পূর্বে
6:05 pm
রাবিতে স্থগিতকৃত দশম সমাবর্তন মার্চে
২ দিন পূর্বে
11:56 pm
‘মৃত্তিকা প্রতিবন্ধীবান্ধব সাংবাদিকতা অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ভৈরবের সুমন মোল্লা
২ দিন পূর্বে
11:48 pm
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০১৮-এ অপো এফ ৫ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা
২ দিন পূর্বে
11:43 pm
মোরেলগঞ্জে,শরণখোলায় কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মীদের তিন দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি
২ দিন পূর্বে
11:39 pm
শ্রীমঙ্গলে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ
২ দিন পূর্বে
11:28 pm
তানোরে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা
২ দিন পূর্বে
11:23 pm
তানোরে শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন বিভাগীয় কমিশনার
২ দিন পূর্বে
11:16 pm
বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা ও অসাম্প্রদায়িক,গণতান্ত্রিক দেশ গড়ার কারিগর ছিলেন শহীদ আসাদ
২ দিন পূর্বে
10:53 pm
প্রেমিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ইনস্টাগ্রামে লাইভ, তারপর…
২ দিন পূর্বে
8:09 pm
এই কলগার্লের জন্যই নাকি পদচ্যুত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী
২ দিন পূর্বে
8:07 pm
২০ প্রেতাত্মার সঙ্গে ‘যৌন সম্পর্ক’ এই ব্রিটিশ যুবতীর!
২ দিন পূর্বে
7:40 pm
অন্তরঙ্গ সময়ে টিভির নেশায় বুঁদ প্রেমিকা, ফলাফল…!
২ দিন পূর্বে
5:58 pm
মা হচ্ছেন প্রীতি জিনতা!
২ দিন পূর্বে
5:33 pm
খরচ বাঁচাতে ৮ জোড়া প্যান্ট ও ১০ জামা পরে বিমানবন্দরে যুবক
২ দিন পূর্বে
5:22 pm
‘বিএনপির কোনো নীতি আদর্শ নেই’
২ দিন পূর্বে
5:19 pm
যে ৮টি উপকারে আসতে পারে ফিটকিরি
২ দিন পূর্বে
5:17 pm
অমিতাভ ও মাধুরীদের সারিতে সানি লিওন
২ দিন পূর্বে
5:10 pm
ভারত বিরাটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল : রাবাদা
২ দিন পূর্বে
5:08 pm
অবশেষে ঢেকে দেওয়া হল দীপিকার উন্মুক্ত পেট (ভিডিও)
২ দিন পূর্বে
5:05 pm
আসামে ভূমিকম্পের আঘাত
২ দিন পূর্বে
5:00 pm
রেডিওতে বাংরেজি বন্ধের নির্দেশ দিলেন তারানা
২ দিন পূর্বে
4:50 pm
চলন্ত গাড়ির জানালার বাইরে টপলেস নারী! হঠাৎ…
২ দিন পূর্বে
4:46 pm
বিশ্বে প্রথমবারের মতো চালু হলো পুতুলের যৌনপল্লী!(ভিডিও)
২ দিন পূর্বে
4:43 pm
এবার সন্তানের জন্ম দেবে সেক্স ডল ‘সামান্তা’
২ দিন পূর্বে
4:34 pm
দুর্বল হৃদয়ের জন্য নয় এই ৫ মিনিটের ভিডিও !
জনসেবা করতে গিয়ে কখনোই রাজনীতির প্রতিহিংসার সঙ্গে আপোস করিনি

আওয়ামীলীগ অঙ্গসংগঠনের বাইরেও যুবসমাজ তথা আপামর জনসাধারণের কাছে শাখাওয়াত হোসেন আরিফ ব্যাপক জনপ্রিয়। সততা ও নিষ্ঠার অনন্য দৃষ্টান্ত তিনি। দুর্নীতিবাজ, নেশাগ্রস্ত ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে তার ইস্পাতদৃঢ় অবস্থান তাকে এলাকাবাসীর কাছে আস্থারপাত্রে পরিণত করেছে। তার নেতৃত্বে দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়ন যুবলীগের নতুনত্বের জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৭ সালে জীবনের প্রথম নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী কাজী জামশেদ কবির বাক্কী বিল্লাহকে পরাজিত করে জেলা ব্যাপী আলোচনায় আসেন বাংলাদেশের মধ্যে জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে সবচেয়ে কম বয়সী শাখাওয়াত হোসেন আরিফ। সেই নির্বাচনের ফল দেখে অনেকেরই দৃষ্টি কাড়েন তিনি। মূলত: এটাই ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের টার্ণিং পয়েন্ট। রাজনীতিতে ‘ক্লিন ইমেজ’-এর নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় তরুণ শাখাওয়াত আরিফ। জেলা পরিষদের অল্পবয়সী সম্মানিত এই সদস্য’র সাথে রাজনৈতিক জীবন, সফলতা ও ব্যর্থতা, সমস্যা-সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে একান্ত সাক্ষাতকারে কথা বলেছেন আমাদের প্রতিবেদক মোঃ সোহেল রানা। তিনি সাক্ষাতকারে জানান, জনসেবা করতে গিয়ে কখনোই রাজনীতির প্রতিহিংসার সঙ্গে আপোস করিনি। তার দেওয়া সাক্ষাতকারটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

প্রশ্ন: কেমন আছেন?

সাখাওয়াত আরিফ: আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি।

প্রশ্ন: আপনার শিক্ষা জীবন সম্পর্কে কিছু বলুন?

সাখাওয়াত আরিফ: পশ্চিম গঙ্গাপুর কেরামত আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা জীবনের হাতেখড়ি। পরবর্তীতে নন্দনপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০১ সালে ব্যবসা শাখায় এসএসসি ও ২০০৩ সালে দালালবাজার ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করি । তিনি ১৯৮৬ সালের ১লা নভেম্বর সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মায়ের ৬ সন্তানের মধ্যে সাখাওয়াত আরিফ সবার ছোট।

প্রশ্ন: রাজনীতিতে আসার আগ্রহ জাগলো কীভাবে?

সাখাওয়াত আরিফ: সমাজ ও দেশের মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা সবসময়ই আমার মনে কড়া নাড়তো। বিশেষ করে সমাজের গরীব-দু:খী মানুষের কষ্ট দেখে আমার মন কাঁদে। সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই আমার রাজনীতিতে আসার ভাবনা জাগে। আর স্কুলজীবন থেকে রাজনীতির প্রতি আমার একটা দুর্বলতা ছিল। সামাজিক ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ দেখেই মূলত: রাজনৈতিক জীবনে পা রাখা। মাধ্যমিকে পড়াকালীন সময়েই রাজনীতিতে আসার প্রবল ইচ্ছা মথাচাড়া দেয়। আর যদি আমি রাজনীতিবিদ হই তাহলে এলাকা তথা দেশের মানুষের জন্য কিছু করতে পারবো যা চাকরি করলে কখনোই তা সম্ভব হবে না। এসমস্ত দিক চিন্তা করেই স্কুল জীবন থেকে রাজনীতিতে আসা।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে এতো রাজনৈতিক দল থাকতে আওয়ামী লীগকে বেছে নিলেন কেন?

সাখাওয়াত আরিফ: এটা সোজা জিনিস। আওয়ামী লীগ এদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে। ১৯৭১সালে আমার বড় জেঠা মুক্তিযোদ্ধা সানা উল্যাহ সানু চেয়ারম্যান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধচলাকালে তিনি ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন। তিনি দীর্ঘ ৩০বছর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ও ১৩বছর ২নং দক্ষিণ হামছাদী ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তার রাজনীতি জীবনটা আমাকে অনেকটা আওয়ামী দলকে বেছে নিতে অনৃপ্রেরণা যুগিয়েছে। তাছাড়া স্বাভাবিকভাবে স্বাধীন চেতনার মানুষ হিসেবে যে দলটা দিয়ে রাষ্ট্র, একটা সরকার এবং ভৌগলিকভাবে একটা ভূখন্ড পাওয়া গেছে সেই দলেরই সদস্য হয়েছি। আর ছোট বেলা থেকেই আমার জেঠাসহ সকলের কাছে আওয়ামী লীগের অনেক নাম শুনেছি এবং সবার কাছেই এই দলের প্রশংসা শুনতাম। পরে আমার নেতা হওয়ার আগ্রহের কারণে নিজের চেষ্টাতে আওয়ামী লীগের যাত্রা শুরুর ইতিহাসটা জানার চেষ্টা করলাম- রাজনৈতিক দল কী? রাষ্ট্র কী? সমাজ কী? এই বিষয়গুলো যাচাই করতে গিয়ে দেখি আওয়ামী লীগের সঙ্গে দেশের জনগণের সম্পর্কটা নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রয়েছে। এ কাজটি করতে আমার কয়েক বছর সময় লেগে যায়। সব জেনে-বুঝে চিন্তা করে দেখলাম এই বাংলাদেশকে যদি স্বীকার করতে হয় তাহলে আওয়ামী লীগকে স্বীকার করতে হবে। সরকার কে পরিচালনা করল তা দেখার বিষয় নয়। সেই হিসেবে আমি মনে করি আওয়ামী লীগ ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও প্রত্যেকটি লড়াই-সংগ্রামসহ সবকিছুর সঙ্গেই এই দলটি ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সে দলটি আমার পছন্দের প্রথম সারিতে চলে আসে এবং আমি বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীসংগঠনে যোগ দেই। পরে যুব সমাজের অহংকার জেলা যুবলীগের আহবায়ক একেএম সালাহ উদ্দিন টিপুর হাত ধরে রাজণীতির অঙ্গণে ভেড়ে উঠা।

প্রশ্ন: আপনার পছন্দের রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ সম্পর্কে কিছু বলুন?

সাখাওয়াত আরিফ: আওয়ামীলীগ একটি ঐতিহ্যবাহী দল যেটা মানুষ এবং মানবতা নিয়ে কাজ করে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। ধরুন, দাদা একসময় সমর্থন করেছে, বাবা করেছে এখন ছেলেরা করছে। নতুন পুরাতনদের মতামত আলাদা হতে পারে কিন্তু আদর্শিকভাবে বা নীতিগতভাবে দলের মধ্যে কোনো বিভেদের স্থান হয়নি। যার কারণে আমার সঙ্গে দলটির মনের সম্পর্ক। তবে আমি মনে করি আমাদের বাঙালি জাতির মূল স্তম্ভ হচ্ছে স্বাধীনতা ও প্রিয় জন্মভূমি। এই জন্মভূমিকে যারা লালিত পালিত করেছেন সেখানে আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব। সে হিসেবে আমার যদি কোনো রাজনৈতিক দলকে বাছাই করতে হয় তাহলে প্রথমে আওয়ামী লীগকেই বাছাই করতে হয়। এরই অংশ হিসেবে স্কুল জীবন থেকে নন্দনপুর উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ২০০৩ থেকে ২০০৮সাল পর্যন্ত দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি, ২০১১ সালে ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ও পরে ২০১৩সালে সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি।

প্রশ্ন: কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের আদর্শে অনুপ্রাণীত হয়ে আপনার রাজনীতিতে আসা হয়েছিল কিনা?

সাখাওয়াত আরিফ: আওয়ামী রাজনীতি আমার পরিবারের ঐতিহ্য। প্রথমত: আমার জন্মের আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মারা গেছেন। আমার জেঠা বীর মুক্তিযোদ্ধা সানা উল্যাহ সানু ও আমার বাবার থেকে বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস শুনছি, কর্ম সম্পর্কে শুনছি এবং উনার বাণী শুনছি। আর দ্বিতীয়ত: আমার জন্মের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্ব দেখছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্ম ও আদর্শ, উনার নেতৃত্ব ও সাহস আমাকে রাজনীতিতে আসার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। আমার সবসময়ই ইচ্ছে ছিল নিজের পরিবারের বাইরে কারো জন্যে কিছু করা। আর রাজনীতি ছাড়া তা কোনো ভাবেই সম্ভব ছিল না। কারণ আমি যদি রাজনীতি ছাড়া চাকরি-বাকরি করতাম তাহলে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অফিস করে আমার পক্ষে পরিবারের বাইরে কিছু করা সম্ভব হতো না। কিন্তু আজ রাজনীতি করার কারণে সমাজের মানুষের জন্যে কিছু করতে পারছি। এটা আমার জন্য আনন্দের বিষয়।

প্রশ্ন: অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে আপনি কিভাবে দেখেন?

সাখাওয়াত আরিফ: আমি মুসলমান হিসেবে গরীর-দুঃখী-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে থাকি। একজন মানুষ হিসেবে গরীব-অসহায় মানুষের পাশে বিনাস্বার্থে দাঁড়ানোকে আমি উত্তম মনে করি। আমি জানি, মানুষ মানুষের জন্য। মানুষকে সহযোগিতা করতে পারলে আমি মন থেকে আনন্দিত হই এবং তৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষ কেউ আমার কাছে আসলে কখনো কাউকে বিমুখ করিনি। এ ছাড়াও ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজের জমানো তহবিল থেকে রাস্তঘাট মেরামত, মসজিদ-মন্দির, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে অনুদান, এলাকার মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সহযোগিতা, সেবা ও আপদ-বিপদে সর্বদাই পাশে থাকার চেষ্টা করেছি সাধারণ জনগনের। জনসেবা করতে গিয়ে কখনোই রাজনীতির প্রতিহিংসার সঙ্গে আপোস করিনি।

প্রশ্ন: রাজনৈতিক ভাবে আপনি ভবিষ্যতে নিজেকে কোন অবস্থানে দেখতে চান?

সাখাওয়াত আরিফ: আমি তো প্রকৃতপক্ষে একজন সেবক। হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও হযরত উমর (রা.) এর আমল থেকে শুরু করে নি:স্বার্থভাবে মানুষের কল্যাণে সেবামূলক কাজ করাই হলো আসল কর্তব্য। সেসব সেবামূলক কাজে মানুষের কল্যাণ হয় আমি সেগুলোই করি। আর দেশ ও দেশের মানুষের সেবা করতে হলে একজন ব্যক্তিকে কোনো না কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সাথে জড়িত থাকা দরকার। আমার মতে, যাদের দেশ প্রেম আছে তাদের ভৌগলিক অবস্থার কারণেই একটি সংগঠনের সঙ্গে থাকাটা উচিত। তাছাড়া আল্লাহ তায়ালা কখন কাকে কোন অবস্থানে নিয়ে যায় কেউ জানেনা। প্রত্যেক মানুষের কর্মফল তার অবস্থানে নিয়ে যায়। ঠিক তেমনি আমার কর্মফল আমাকে সঠিক অবস্থানে নিয়ে যাবে।

প্রশ্ন: আপনার এলাকার জনগনের জন্য আপনার করণীয় কি হবে?

সাখাওয়াত আরিফ: আমাদের এলাকায় অনেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভাল অবস্থানে রয়েছে। তাদের এবং লক্ষ্মীপুর যুব সমাজের অহংকার একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু ভাইয়ের সহযোগিতায় এলাকার জনগনের জন্য কাজ করে যাবো। এলাকার মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যা যা করণীয় রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি তাদের জন্য তা করে দেবো। আমি সব জায়গায়ই বলে থাকি, আমার রাজনীতি করার উদ্দেশ্য জনগনের জন্য কিছু একটা করা। আর তা সম্ভব করতে টিপু ভাইয়ের বিকল্প নাই।

প্রশ্ন: বর্তমান সমাজের ভয়াবহ মাদক সমস্যা থেকে যুব সমাজকে রক্ষায় আপনি কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন?

সাখাওয়াত আরিফ: আমি মানুষের মধ্যে আদর্শ তৈরি করে দেওয়ার চেষ্টা করবো, যে আদর্শ দিয়ে মানুষ কোন অন্যায়, কোন পাপ, কোন নেশা স্পর্শ করবে না। আমি বিভিন্ন সময় বলেছি মাদক সেবন এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবেনা। ইতিমধ্যে মাদক স¤্রাট জহিরকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি। যারা মাদক সেবন ও বিক্রি করতো তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে সহযোগিতা করে যাচ্ছি। বর্তমানে আমার এলাকায় মাদকমুক্ত বলা যেতে পারে। এতেই বোঝা যায়, মাদকের বিরুদ্ধে আমি জিহাদ ঘোষণা করেছি অনেক আগেই। মাদক নির্মূলের পূর্বশর্ত বলে আমি মনে করি বেকার সমস্যা দূর করা। বেকারত্ব বিষয়টি যুব সমাজকে মাদকের দিকে ঠেলে দেয়। এজন্য সরকারকে বেকারদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।

প্রশ্ন: নিজের জীবনের নিরাপত্তা বিষয়ে আপনি কতটুকু আস্থাবান?

সাখাওয়াত আরিফ: প্রথমত: আমি এক সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করি। দ্বিতীয়ত: রাষ্ট্রের যত নিরাপত্তা সংস্থা আছে। তৃতীয়ত: হলো মানুষ মানুষের জন্য নিরাপদ। সে হিসেবে আমি মানুষকে বিশ্বাস করে চলি। যখন যেখানে মৃত্যু লেখা আছে তখনই হবে আমি তা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। আমার নিজের জানমালের দায়িত্ব সৃষ্টিকর্তার হাতে। তিনিই জানেন আমার কখন কি হবে। এছাড়া জন্ম থেকে এই পর্যন্ত আমার কোন শত্রু নেই। আমি কখনো কারো ক্ষতি করি নাই। তাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস কেউ আমার কোন ক্ষতি করবেনা।

প্রশ্ন: আপনি কি কি খেলা পছন্দ করেন?

সাখাওয়াত আরিফ: আমি খেলাধুলা পছন্দ করি। বিশেষ করে সেই ছোট বেলা থেকেই ক্রিকেট খেলতাম। আমি ক্রিকেট দুটো খেলাই পছন্দ করি। খেলাধুলা করলে শরীর ও মন দুটোই ভাল থাকে। আমি ৩বার স্বাধীনতা স্পোটিং ক্লাবের ভোটের সভাপতি ছিলাম। তাই ব্যাক্তিগত ভাবে ক্রিকেট খেলা পন্দ করি।

প্রশ্ন: বৈবাহিক জীবন সম্পর্কে কিছু বলুন?

সাখাওয়াত আরিফ: ২০১৫ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। আমার স্ত্রী লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে অনার্স ৩য় বর্ষে অধ্যায়নরত। পারিবারিকভাবে আমি সকলের দোয়ায় সুখে আছি।

প্রশ্ন: আপনার ওয়ার্ড ৬ তথা রায়পুর পৌরসভা, দক্ষিণ হামছাদী, বামনী ও কেরোয়া ইউনিয়নের উদ্দেশ্যে আপনার উপদেশ/পরামর্শ?

সাখাওয়াত আরিফ: আমার নির্বাচনী ওয়ার্ড জণগণ/জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আমার উপদেশ হচ্ছে, আমার নির্বাচনী এলাকাকে একটি বাসযোগ্য সুন্দর ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে তারা যেন আমাকে সহযোগিতা করেন। আমি আমার পরিকল্পনা, শ্রম ও মেধা দিয়ে তাদেরকে একটি সুন্দর সমাজ উপহার দিতে চাই। যার মধ্যে সবার জন্য একটি সুশৃংখল বাসযোগ্য সমাজ হবে। সবাই নিরাপদে থাকবেন। সবাই যার যার উন্নয়ন ও সম্মান নিয়ে বসবাস করতে পারবেন।

প্রশ্ন: সবচেয়ে কমবয়সী সদস্য হিসেবে আপনার অনূভূতি বলুন?

সাখাওয়াত আরিফ: আসলে অল্প বয়সে একজন প্রভাবশালি ব্যাক্তির সাথে নির্বাচনে জয় লাভ করেছি। আমার নির্বাচনী এলাকার জনপ্রতিনিধি, জনসাধারণ, আওয়ামী অঙ্গসংগঠনের নের্তৃবৃন্দ, বিশেষ করে যুব সমাজের অহংকার জেলা যুবলীগের আহবায়ক একেএম সালাহ উদ্দিন টিপুসহ সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

প্রশ্ন: আমাদের পত্রিকা সম্পর্কে কিছু বলেন?

সাকাওয়াত আরিফ: আমি ঢাকা নিউজ এক্সপ্রেস অনলাইন নিউজ পোর্টালের উত্তরত্তর মঙ্গল কামনা করি। পত্রিকাটাটি সব সময় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। আশা করি ভবিষ্যতে পাঠকদের মন জয় করে নিবে।