Rz Rasel
১ দিন পূর্বে
11:56 pm
‘মৃত্তিকা প্রতিবন্ধীবান্ধব সাংবাদিকতা অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন ভৈরবের সুমন মোল্লা
১ দিন পূর্বে
11:48 pm
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০১৮-এ অপো এফ ৫ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা
১ দিন পূর্বে
11:43 pm
মোরেলগঞ্জে,শরণখোলায় কমিউনিটি ক্লিনিক কর্মীদের তিন দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি
১ দিন পূর্বে
11:39 pm
শ্রীমঙ্গলে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ
১ দিন পূর্বে
11:28 pm
তানোরে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা
১ দিন পূর্বে
11:23 pm
তানোরে শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ করলেন বিভাগীয় কমিশনার
১ দিন পূর্বে
11:16 pm
বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা ও অসাম্প্রদায়িক,গণতান্ত্রিক দেশ গড়ার কারিগর ছিলেন শহীদ আসাদ
১ দিন পূর্বে
10:53 pm
প্রেমিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক ইনস্টাগ্রামে লাইভ, তারপর…
১ দিন পূর্বে
8:09 pm
এই কলগার্লের জন্যই নাকি পদচ্যুত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী
১ দিন পূর্বে
8:07 pm
২০ প্রেতাত্মার সঙ্গে ‘যৌন সম্পর্ক’ এই ব্রিটিশ যুবতীর!
১ দিন পূর্বে
7:40 pm
অন্তরঙ্গ সময়ে টিভির নেশায় বুঁদ প্রেমিকা, ফলাফল…!
১ দিন পূর্বে
5:58 pm
মা হচ্ছেন প্রীতি জিনতা!
১ দিন পূর্বে
5:33 pm
খরচ বাঁচাতে ৮ জোড়া প্যান্ট ও ১০ জামা পরে বিমানবন্দরে যুবক
১ দিন পূর্বে
5:22 pm
‘বিএনপির কোনো নীতি আদর্শ নেই’
১ দিন পূর্বে
5:19 pm
যে ৮টি উপকারে আসতে পারে ফিটকিরি
১ দিন পূর্বে
5:17 pm
অমিতাভ ও মাধুরীদের সারিতে সানি লিওন
১ দিন পূর্বে
5:10 pm
ভারত বিরাটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল : রাবাদা
১ দিন পূর্বে
5:08 pm
অবশেষে ঢেকে দেওয়া হল দীপিকার উন্মুক্ত পেট (ভিডিও)
১ দিন পূর্বে
5:05 pm
আসামে ভূমিকম্পের আঘাত
১ দিন পূর্বে
5:00 pm
রেডিওতে বাংরেজি বন্ধের নির্দেশ দিলেন তারানা
১ দিন পূর্বে
4:50 pm
চলন্ত গাড়ির জানালার বাইরে টপলেস নারী! হঠাৎ…
১ দিন পূর্বে
4:46 pm
বিশ্বে প্রথমবারের মতো চালু হলো পুতুলের যৌনপল্লী!(ভিডিও)
১ দিন পূর্বে
4:43 pm
এবার সন্তানের জন্ম দেবে সেক্স ডল ‘সামান্তা’
১ দিন পূর্বে
4:34 pm
দুর্বল হৃদয়ের জন্য নয় এই ৫ মিনিটের ভিডিও !
১ দিন পূর্বে
4:29 pm
ক্যামেরার সামনের সেই সব অভিজ্ঞতা কেমন, জানালেন পর্নতারকা!
স্মৃতিময় রূপলাল হাউস

5aedd6a0028c600437e2c6ff66d36042-01 আমাদের দুর্ভাগ্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে উজ্জ্বল এই দেশে প্রত্নতত্ত্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণের সংকট সবচেয়ে বেশি। এর পেছনে সক্রিয় কারণগুলো হচ্ছে ঐতিহ্য সম্পর্কে সাধারণ্যে অসচেতনতা, বদ্ধবুদ্ধি ও স্বার্থপরতায় আচ্ছন্ন রাজনীতি। জমি দখলকারীদের উদগ্র লালসা এবং সর্বোপরি নাগরিক সমাজ ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের একটি বড় অংশের প্রত্নতত্ত্ব ঐতিহ্য সম্পর্কে উদাসীনতা। উনিশ শতকজুড়ে ঢাকায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন ইমরত নির্মিত হয়েছিল, যা সংরক্ষিত থাকলে সময়কে ধরে রেখে প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্য উন্মোচন করা সহজ হতো। কিন্তু রাজধানী শহর খোদ ঢাকায় যখন আমরা ঐতিহ্য সংরক্ষণে ব্যর্থ হচ্ছি, তখন সমগ্র দেশের চিত্র সহজেই অনুমান করা যায়। পুরান ঢাকার রূপলাল হাউস এমনই একটি অবহেলিত প্রত্নতত্ত্ব ইমারত। এখনো রূপলাল হাউসের দেখা মিলবে তবে তা দেখতে গেলে দর্শনার্থীরা বড় রকমের হোঁচট খাবেন। লক্ষ্মীবাজার মোড় থেকে বাহাদুর শাহ পার্ককে পাশ কাটিয়ে নর্থব্রুক হল রোড ধরে দক্ষিণে এগিয়ে গেলে সূত্রাপুরে যাওয়ার অনেকটা আগে শ্যামবাজার পড়বে। এখানেই হাতের ডানে রূপলাল হাউসের অবস্থান। একসময় ইমারতটি বুড়িগঙ্গার তীরে ছিল। এখন নদী অনেকটা সরে গেছে। নদী আর রূপলাল হাউসের মাঝামাঝি রয়েছে বাকল্যান্ড বাঁধ। এই বাঁধের ওপর সকাল-বিকেল সে যুগে নগরবাসী হাওয়া খেতে আসত। পাশাপাশি ব্যবহৃত হতো পায়ে চলা পথ হিসেবে। এখন রূপলাল হাউসের কোনো রূপ অবশিষ্ট নেই বলা চলে। বিবর্ণ ইমারতটির নিচে  পেঁয়াজ, মরিচ ইত্যাদি কাঁচামালের আড়ত। ব্যবসায়ের সময় মানুষে গিজগিজ করে। মালামাল ওঠানামা করে ট্রাক আর ভ্যানগাড়ি থেকে। এটি সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সংরক্ষণের তালিকায় থাকলেও ইমারতের কোনো কোনো অংশ এখনো অবৈধ বসবাসকারীরা দখল করে আছে। উনিশ শতকের প্রথম দিকে নির্মিত এই রূপলাল হাউসের বিশালত্ব ও শিল্প সৌকর্যের দিক থেকে আহসান মঞ্জিলের পরেই নিজের অবস্থান করে নিয়েছিল। রূপলাল হাউসের অবস্থান এলাকা এককালে পরিচিত ছিল ফরাশগঞ্জ নামে। নামটি এখনো হারিয়ে যায়নি। একসময় এখানে ফরাসিদের ব্যবসা বা বসতি ছিল বলে এমন নামকরণ হয়েছে। রূপলার হাউসের কাছাকাছি দূরত্বে লালকুঠির অবস্থান। এসব বিচারে উনিশ শতকে এই এলাকাটির বিশেষ গুরুত্ব ছিল বলে মনে করা হয়। এ কারণেই সে সময়ে ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ধনবান দুই ভাই রূপলাল দাস ও রঘুনাথ দাস এখানে প্রাসাদ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। এঁদের বাবা স্বরূপ চন্দ্র ফরাসগঞ্জেই বসবাস করতেন। রূপলাল হাউসের এই জায়গাটি আরাতুন নামের এক আর্মেনীয় বণিকের দখলে ছিল। তখন এখানে ছিল একটি পুরোনো দালান। দুই বণিক মহোদর আরাতুনের কাছ থেকে জায়গাটি কিনে নেন। তাঁরা পরিকল্পনা করেন একটি প্রাসাদ নির্মাণের। স্বপ্নপূরণের জন্য সে সময়ের খ্যাতিমান স্থপতি ও নির্মাণ সংস্থা মার্টিন কোম্পানির কলকাতা অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রূপলাল ও রঘুনাথ দাস। এখানকার একজন স্থপতিকে নিযুক্ত করা হয়। এভাবে প্রচুর অর্থ ব্যয়ে নির্মিত হয় রূপলাল হাউস। বিশালকায় এই দ্বিতল ভবনটি দুটি ব্লকে বিভক্ত ছিল। ইউরোপীয় স্থাপত্য রীতির চমৎকার ব্যবহার রয়েছে এই প্রাসাদে। নদীর দিকে মুখ করা এই প্রাসাদটির দৈর্ঘ্য ছিল ৯১.৪৪ মিটার। ভূমি নকশা অনেকটা ইংরেজি ‘ই’ অক্ষরের মতো। কোরিন্থীয় রীতির খাঁজকাটা স্তম্ভ ইমারতটির শোভা বাড়িয়েছে। ছাদের ওপর রয়েছে রেনেসাঁস যুগের দৃষ্টিনন্দন পেডিমেন্ট। রূপলাল হাউসের দোতলার দুটি ব্লকে নানা আকারের প্রায় ৫০টি কক্ষ রয়েছে। এখানে একটি প্রশস্ত হলঘর ছিল। তাতে শোভিত ছিল নানা কারুকাজ। এটি ছিল নাচঘর। নাচঘরের মেঝে তৈরি করা হয়েছিল কাঠ দিয়ে। পুরো ভবনের উত্তর ও দক্ষিণে ছিল টানা প্রশস্ত বারান্দা। জানা যায়, ১৮৮৮ সালে ভারতের ভাইসরয় লর্ড ডাফরিন ঢাকায় এলে তাঁর সম্মানে এই নাচঘরে বলনাচের আয়োজন করা হয়েছিল।