জনপ্রিয় সংবাদ

x

বাংলা চলচ্চিত্রে হুমায়ূন আহমেদের অবদান

রবিবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৬ | ১২:১২ পূর্বাহ্ণ | 122 বার

বাংলা চলচ্চিত্রে হুমায়ূন আহমেদের অবদান

হুমায়ূন আহমেদ। বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। যার লেখার জনপ্রিয়তা আজও আকাশস্পর্শী। তবে এ লেখক শুধুমাত্র বই প্রকাশ করেননি। বাংলা চলচ্চিত্র জগতেও তার অবদান কম নয়। আসুন আমরা এক নজরে বাংলা চলচ্চিত্রে তার কিছু অবদান জেনে আসি।

টেলিভিশনের জন্য একের পর এক দর্শক-নন্দিত নাটক রচনার পর হুমায়ূন আহমেদ ১৯৯০-এর গোড়ার দিকে চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন। তাঁর পরিচালনায় প্রথম চলচ্চিত্র আগুনের পরশমণি মুক্তি পায় ১৯৯৪ সালে। ২০০০ সালে শ্রাবণ মেঘের দিন ও ২০০১ সালেদুই দুয়ারী চলচ্চিত্র দুটি প্রথম শ্রেনীর দর্শকদের কাছে দারুন গ্রহণযোগ্যতা পায়। ২০০৩-এ নির্মান করেন চন্দ্রকথা নামে একটি চলচ্চিত্র।

১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে নির্মান করেন শ্যামল ছায়া চলচ্চিত্রটি। এটি ২০০৬ সালে “সেরা বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র” বিভাগে একাডেমি পুরস্কার এর জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। এছাড়াও চলচ্চিত্রটি কয়েকটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়। তাঁর সব চলচ্চিত্রে তিনি নিজে গান রচনা করেন। ২০০৮-এ আমার আছে জল চলচ্চিত্রটি তিনি পরিচালনা করেন। ২০১২ সালে তাঁর পরিচালনার সর্বশেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (চলচ্চিত্র)।

এছাড়াও হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র। এর মধ্যে ২০০৬ সালে মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত দুরত্ব, বেলাল আহমেদ পরিচালিত নন্দিত নরকে এবং আবু সাইদ পরিচালিত নিরন্তর। ২০০৭-এ শাহ আলম কিরণ পরিচালিত সাজঘর এবং তৌকির আহমেদ নির্মাণ করেন বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র দারুচিনি দ্বীপ।

বালিয়াডাঙ্গীতে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

Development by: webnewsdesign.com