জনপ্রিয় সংবাদ

x

এটাই ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন ভাই। প্রতিদিন এভাবেই বিভিন্ন সেবামুলক কাজে বেরিয়ে পড়েন.

শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ | 228 বার

এটাই ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন ভাই। প্রতিদিন এভাবেই বিভিন্ন সেবামুলক কাজে বেরিয়ে পড়েন.

স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা-ব্রিজ নির্মাণ, ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন, এলাকার বিভিন্ন দুর্নীতি-অসঙ্গতি নিয়ে লাইভ প্রোগ্রামসহ ব্যতিক্রমী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলোচনায় রয়েছেন হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন।

সরেজমিন তার নির্বাচনী এলাকা ঘুরে জানা যায়, এলাকার যুব সমাজকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের ভোগান্তি লাঘবে শুধুমাত্র স্বেচ্ছাশ্রমে তিনি ২১টি ব্রিজ ও ৫টি রাস্তা নির্মাণ করেছেন। ব্যক্তিগত অর্থ ও শ্রমের দ্বারা সংস্কার করেছেন আরো ৪০টি রাস্তা। কাক ডাকা ভোরে যুবকদের সাথে নিয়ে ময়লা ও কাঁদা মাখা পানিতে নিজেই কাজে লেগে যান সুমন। এতে উৎসাহিত হয়ে এলাকার যুব সমাজও ঝাঁপিয়ে পড়েন স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করতে। এভাবে একটির পর একটি ব্রিজ নির্মাণ ও রাস্তা সংস্কার করেছেন তিনি। সাধারণ মানুষের দুুর্দশা লাঘব করতে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাতছড়ি টিপরা পল্লীতে নদী ভাঙন রোধ, বিভিন্ন স্কুলে ২৭০টি ফ্যান প্রদান, ৫০টি মসজিদে প্রায় ৫০ লাখ টাকা অনুদান, গরিব শিক্ষার্থীদের আর্থিক-চিকিৎসা সহযোগিতা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ৫০টি হুইল চেয়ার প্রদান করেন। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় ২০ হাজার গাছের চারা বিতরণ ও বিশুদ্ধ পানির জন্য ৬০টি নলকূপ প্রদান করেন।

ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে তিনি শিশুদেরকে ১ হাজার খেলার সামগ্রী বিতরণ, ৫টি খেলার মাঠ মেরামত ও বঙ্গবন্ধুর নামে ৫টি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করেন। চা শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়নে বিভিন্ন আথিক সহযোগিতা ও শীতবস্ত্র বিতরণ করেন সুমন। অন্যদিকে এলাকার বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও চুরি-ডাকাতি রোধকল্পে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দায়িত্বশীলদের জনগণের মুখোমুখি করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন। তিনি গ্রাম পুলিশদের বেতন-ভাতা ডিজিটালাইজেশনের স্বার্থে ১শটি মোবাইল ফোন প্রদান করেন। ব্যারিস্টার সাইদুল হক সুমন মানবজমিনকে জানান, ১৮ বছর ধরে আমি এলাকার উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি। মানুষের কল্যাণে কাজ করাকে আমি ইবাদত মনে করি। নিজের পেশা থেকে অর্জিত অর্থের সিংহভাগই আমি ব্যয় করি সাধারণ মানুষের কল্যাণে। আমার গন্তব্য নিজের সফলতা দিয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জন্মভূমি ও এর বাইরের উন্নয়নে সর্বসাধ্য দিয়ে চেষ্টা করা। তরুণ নেতৃত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি নির্বাচনের জন্য সব সময় প্রস্তুত আছি।

‘ তিন-চারটা মিনিট আগে যদি খাবার আনতে যাইতাম, তাহলে পোলাডারে বাঁচাইয়া রাখতে পারতাম ‘

Development by: webnewsdesign.com